ওহমের সূত্র
ওহমের সূত্র ( )
সহজ কথায় বলতে গেলে, কোনো তারের ভেতর দিয়ে কতটুকু কারেন্ট যাবে তা নির্ভর করে ওই তারের দুই মাথার ভোল্টেজ বা বিভব পার্থক্যের ওপর। তবে শর্ত হলো তাপমাত্রা স্থির থাকতে হবে।
বিভব পার্থক্য যত বেশি হবে, কারেন্ট তত বেশি জোরে চলবে। এটাকে আমরা এভাবে লিখি:
বা,
এখানে
রোধ বা ( )
কারেন্ট যাওয়ার পথে যে বাধা পায়, সেটাই হলো রোধ। একে
তাহলে আমরা ওহমের সূত্রটাকে এভাবে লিখতে পারি:
বা,
বাস্তব উদাহরণ: মনে করো একটা সরু রাস্তায় তুমি দৌড়াচ্ছ। রাস্তার ভিড় হলো রোধ (
বিদ্যুৎ পরিবাহিতা ( )
এটা হলো রোধের ঠিক উল্টো। কোনো পরিবাহীর ভেতর দিয়ে কত সহজে কারেন্ট যেতে পারে, সেই ধর্মটাই হলো পরিবাহিতা।
- এর একক হলো সিমেন্স (
)।
রোধ ( )
পরিবাহীর যে ধর্মের জন্য বিদ্যুৎ চলাচলে বাধা পায়, তাকে রোধ বলে।
- এর একক হলো ওহম (
)।
১ ওহম (
যদি কোনো পরিবাহীর দুই মাথার বিভব পার্থক্য
রোধক ( )
সহজ কথায়, যে জিনিসটা কারেন্ট চলাচলে বাধা দেওয়ার জন্য সার্কিটে ব্যবহার করা হয়, তাকেই রোধক বলে। এটি মূলত দুই ধরণের হয়:
১. স্থির মানের রোধক: এই রোধকগুলোর মান ফিক্সড থাকে, চাইলে কমানো বা বাড়ানো যায় না।
২. পরিবর্তনশীল রোধক: নাম শুনেই বুঝতে পারছো, এর মান প্রয়োজন মতো বাড়ানো বা কমানো যায়। আমাদের বাসার ফ্যানের রেগুলেটর হলো এর একটা ভালো উদাহরণ। রেগুলেটর ঘুরিয়ে আমরা আসলে রোধ কমিয়ে বা বাড়িয়ে ফ্যানের গতি নিয়ন্ত্রণ করি।
আজকের প্রয়োজনীয় সূত্রগুলো একনজরে:
১.
২.
৩.
৪.
একটা অংক প্র্যাকটিস করি চলো
প্রশ্ন: একটা পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য
ক) পরিবাহকটির রোধ কত?
খ) তড়িৎ পরিবাহিতা কত?
সমাধান:
এখানে দেওয়া আছে,
বিভব পার্থক্য,
তড়িৎ প্রবাহ,
ক) রোধ (
আমরা জানি,
বা,
বা,
অর্থাৎ, পরিবাহকটির রোধ
খ) তড়িৎ পরিবাহিতা (
আমরা জানি,
বা,
অর্থাৎ, তড়িৎ পরিবাহিতা